পরামর্শ দিয়েছেন

আমাতুল্লাহ শারমিন
ডায়েটিশান ও নিউট্রিশন স্পেশালিস্ট

শেয়ার এবং প্রিন্ট করুন

মৌসুমি ফল যেন বাদ না পড়ে!

বাংলাদেশে বিভিন্ন ঋতুতে বিভিন্ন ধরনের ফল দেখা যায়। ফল দুই রকম। যেমন- সরস ফল ও নীরস ফল। সরস ফল : আম, জাম, কমলালেবু, লিচু, ডালিম ইত্যাদি। নীরস ফল : বাদাম, সুপারি, নারিকেল ইত্যাদি। এই সকল মৌসুমি ফলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ পুষ্টি যা শিশুকে সুস্থভাবে বেড়ে উঠতে সাহায্য করে।
জেনে নেওয়া যাক কোন ফলের উপকারিতা কতটুকু।

কাঁঠালঃ আমাদের জাতীয় ফল । এটি স্বাদে গন্ধে অনন্য। পুষ্টির দিক থেকেও এটি গুরুত্বপূর্ণ। সর্বোপরি কাঁঠালের এমন কোনো অংশ নেই যা অপ্রয়োজনীয়। কাঁঠালে প্রচুর এনার্জি। কাঁঠালে শর্করার পরিমাণ বেশি। পাকা কাঁঠালের ক্যালরি প্রতি ১০০ গ্রামে প্রায় ৯০ কিলোক্যালরি এবং খনিজ লবণের পরিমাণ প্রায় ০.৯ গ্রাম। কাঁচা কাঁঠালের ফাইবারের পরিমাণ পাকা কাঁঠালের বেশ কয়েক গুণ বেশি। তাই ডায়বেটিক মানুষের জন্য কাঁচা কাঁঠাল উপকারী। রক্তের চিনির মাত্রা স্বাভাবিক রাখার জন্য কাঁচা কাঁঠালের জুড়ি নেই। কাঁচা কাঁঠাল দিয়ে মাছ অথবা মাংসের মজাদার রেসিপি তৈরি করা হয় যা একদিকে যেমন মুখরোচক তেমনি অন্যদিকে স্বাস্থ্যকর। কাঁঠাল পুষ্টি সমৃদ্ধ। এতে আছে থায়ামিন, রিবোফ্লাবিন, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, আয়রন, সোডিয়াম, জিঙ্ক এবং নায়াসিনসহ বিভিন্ন প্রকার পুষ্টি উপাদান। কাঁঠালে প্রচুর পরিমাণে আমিষ, শর্করা ও ভিটামিন থাকায় তা মানবদেহের জন্য বিশেষ উপকারী। কাঁঠালের প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ আছে যা রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে। এছাড়া উচ্চরক্তচাপের উপশম হয়।
আমঃ আমে রয়েছে ভিটামিন এ, যা দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে। চোখের চারপাশের শুষ্কভাবও দূর করে। পাকা আমে কাঁচা আমের তুলনায় শর্করার পরিমাণ বেশি থাকে। কাঁচা আম দেহের শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। লিভারের সমস্যায় কাঁচা আম খাওয়া উপকারী। এটি বাইল এসিড নিঃসরণ বাড়ায়। অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়াকে পরিষ্কার করে। দেহে নতুন রক্ত তৈরিতে সাহায্য করে। খনিজ পদার্থ আয়রনের ভালো উৎস আম। প্রচুর পরিমাণে আয়রন ও সোডিয়াম বিদ্যমান। এছাড়া খনিজ লবণ, ভিটামিন বি, ই, সেলেনিয়াম, এনজাইম, ম্যালিক এসিড, সাইট্রিক এসিড, টারটারিক অ্যাসিড বিদ্যমান।

লিচু: মিষ্টি গন্ধ ও স্বাদের রসাল ফল লিচুতে রয়েছে শর্করা, প্রোটিন, ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন সি। এ ছাড়া এই ফলে বিদ্যমান কপার, আয়রন, ফোলেট লোহিত কণিকা তৈরিতে; বি ভিটামিনগুলো বিপাক ক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে; পটাশিয়াম ইলেকট্রোলাইট ব্যালেন্স ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। কাঁশি, পেট ব্যথা ও টিউমার বৃদ্ধি রোধে লিচু অনেক উপকারী। প্রতি ১০০ গ্রাম লিচুতে ৬১ কিলো ক্যালরি খাদ্যশক্তি, ১৩.৬০ গ্রাম শর্করা, ১.১০ গ্রাম আমিষ, ১০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ০.৭০ মিলিগ্রাম লৌহ, ৩১ মিলিগ্রাম ভিটামিন-সি বিদ্যমান।

জাম : জাম বাংলাদেশের গ্রামগঞ্জের একটি পরিচিত ফল। টাটকা ফল হিসেবে খাওয়া ছাড়াও এ ফল থেকে উপাদেয় রস, স্কোয়াসসহ বিভিন্ন খাদ্য তৈরি করা হয়। প্রতি ১০০ গ্রাম জামে ১১ কিলো ক্যালরি খাদ্যশক্তি, ১.৪০ গ্রাম শর্করা, ১.০ গ্রাম আমিষ, ০.৮০ গ্রাম চর্বি, ৩.৮০ গ্রাম আঁশ, ২২ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ৪.৩০ মিলিগ্রাম লৌহ, ৬০ মিলিগ্রাম ভিটামিন-সি, ১২০ মাইক্রোগ্রাম ক্যারোটিন পাওয়া যায়।

আনারস : আনারস পুষ্টিকর সুস্বাদু ফল। এটি মুখরোচক ফল। খাদ্য উপযোগী প্রতি ১০০ গ্রাম আনারসে ৩০ কিলোক্যালরি খাদ্যশক্তি, ৬.২০ গ্রাম শর্করা, ০.৯০ গ্রাম আমিষ, ১৮ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ২১ মিলিগ্রাম ভিটামিন-সি, ১৮৩০ মাইক্রোগ্রাম ক্যারোটিন বিদ্যমান। এ ছাড়াও কফ, কাশি উপশমসহ জীবাণুনাশক, হজমকারক, মূত্রবর্ধক ও চর্মরোগহ নিবারক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

পেয়ারা : কিছুদিন আগেও পেয়ারা শুধু নির্দিষ্ট মৌসুমে পাওয়া যেত। বর্তমান বছরব্যাপী বাজারে পেয়ারা পাওয়া যাচ্ছে। বিদেশি ফল আপেলের বিকল্প হিসেবে সবাই পেয়ারা গ্রহণ করছে, এটা ভালো লক্ষণ। ভক্ষণযোগ্য প্রতি ১০০ গ্রাম পেয়ারাতে ৫১ কিলো ক্যালরি খাদ্যশক্তি, ১১.২০ গ্রাম শর্করা, ০.৯০ গ্রাম আমিষ, ১০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ২১০ মিলিগ্রাম ভিটামিন-সি, ১০০ মাইক্রোগ্রাম ক্যারোটিন বিদ্যমান।

বাঙ্গি : রসালো ফল হিসেবে এ ফলের যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে। এর পুরোটাই জলীয় অংশে ভরপুর। ভিটামিন সি, শর্করা ও সামান্য ক্যারোটিনসমৃদ্ধ হয় এই ফলটি। খাদ্য উপযোগী প্রতি ১০০ গ্রাম বাঙ্গিতে ১৭ কিলো ক্যালরি খাদ্যশক্তি, ৩.৫০ গ্রাম শর্করা, ০.৩০ গ্রাম আমিষ, ৩২ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ১.৪০ মিলিগ্রাম লৌহ, ২৬ মিলিগ্রাম ভিটামিন-সি, ১৬৯ মাইক্রোগ্রাম ক্যারোটিন বিদ্যমান।

জামরুল : রসালো ও হালকা মিষ্টি জামরুল গ্রীষ্মকালে পাওয়া যায়। বর্তমানে সাদা, খয়েরি, লাল ও হালকা গোলাপি রঙের জামরুল দেখা যায়। এটি ভিটামিন বি-২ সমৃদ্ধ ফল। বহুমূত্র রোগীর জন্য জামরুল অনেক উপকারী। খাদ্য উপযোগী প্রতি ১০০ গ্রাম জামরুলে ৩৯ কিলো ক্যালরি খাদ্যশক্তি, ৮.৫০ গ্রাম শর্করা, ০.৭০ গ্রাম আমিষ, ১০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ৩ মিলিগ্রাম ভিটামিন-সি, ১৪১ মাইক্রোগ্রাম ক্যারোটিন বিদ্যমান।

পেঁপে : পেঁপের অনেক পুষ্টিগুণ। কাঁচা ও পাকা দুই ধরনের পেঁপেই শরীরের জন্য উপকারী। পেঁপে স্বল্পমেয়াদি, সুস্বাদু, পুষ্টিসমৃদ্ধ ঔষধি গুণাবলিসম্পন্ন। খাদ্য উপযোগী প্রতি ১০০ গ্রাম পাকা পেঁপেতে ৪২ কিলো ক্যালরি খাদ্যশক্তি, ৮.৩ গ্রাম শর্করা, ১.৯ গ্রাম আমিষ, ৩১ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ৫৭ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি, ৮১০০ মাইক্রোগ্রাম ক্যারোটিন বিদ্যমান। কাঁচা পেঁপে’তে রয়েছে প্যাপেইন ও কাইমোপ্যাপেইন নামের প্রচুর প্রোটিওলাইটিক এনজাইম। এ উপাদান আমিষ ভাঙতে সাহায্য করে। কাঁচা পেঁপেতে ‘পেঁপেইন’ নামক হজমকারী দ্রব্য রয়েছে, যা খাদ্য হজমে সহায়তা করে এবং রোগীর পথ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। অজীর্ণ, আলসার, একজিমা, কৃমির উপদ্রব, ত্বকের ক্ষত, যকৃতের জটিলতা, আন্ত্রিক ও পাকস্থলির ক্যান্সার, ডিপথেরিয়া নিরাময়ে পেঁপে বিশেষভাবে উপকারী।

পাকা কলা : বাংলাদেশে একটি অতি পরিচিত ফল কলা। কলাতে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম রয়েছে। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে কলার জুড়ি নেই। খাদ্য উপযোগী প্রতি ১০০ গ্রাম কলাতে ১০৯ কিলো ক্যালরি খাদ্যশক্তি, ২৫.০০ গ্রাম শর্করা, ০.৭০ গ্রাম আমিষ, ১৩ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ০.৯০ মিলিগ্রাম লৌহ, ২৪ মিলিগ্রাম ভিটামিন-সি বিদ্যমান।

তালের শাঁস : তাল গ্রামীণ জনপদের অতি পরিচিত ফল। যদিও তাল ভাদ্র মাসে পাকে। তবে কাঁচা/কচি তালের শাঁস বেশ জনপ্রিয়। এটি রসালো বলে দেহে শীতল আমেজ আনে। অন্যান্য পুষ্টি উপাদানের পাশাপাশি এতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম রয়েছে।

বেল : সারাবছরই কমবেশি পাওয়া গেলেও গরমকালে এই ফলের চাহিদা খুব বেশি দেখা যায়। কোষ্ঠকাঠিন্য ও আমাশয় সারাতে বেশ খুব উপকারী। সর্দি, জ্বর, ক্ষুধাবৃদ্ধিসহ পাকস্থলী, মস্তিষ্ক, হৃৎপিন্ডের শক্তি বৃদ্ধিতে এ ফল বেশ উপকারী। খাদ্য উপযোগী প্রতি ১০০ গ্রাম বেলে ৮৭ কিলো ক্যালরি খাদ্যশক্তি, ১৮.৮০ গ্রাম শর্করা, ২.৬০ গ্রাম আমিষ, ৩৮ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ৯ মিলিগ্রাম ভিটামিন-সি, ০.৬ মিলিগ্রাম লৌহ বিদ্যমান।

কামরাঙা : কামরাঙা একটি সুস্বাদু ও উপকারী ফল। এটি টকমিষ্টি জাতীয় ফল। এটি টাটকা অবস্থায় ও প্রক্রিয়াজাত উভয়ভাবেই খাওয়া যায়। খাদ্য উপযোগী প্রতি ১০০ গ্রাম কামরাঙায় ৫০ কিলো ক্যালরি খাদ্যশক্তি, ৯.৫০ গ্রাম শর্করা, ০.৫০ গ্রাম আমিষ, ১ গ্রাম চর্বি, ১ গ্রাম আঁশ, ১১ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ৬১ মিলিগ্রাম ভিটামিন-সি, ১.২১ মিলিগ্রাম লৌহ বিদ্যমান। কামরাঙা রুচিবর্ধক, ক্ষত নিরাময়কারী, পেট ফাঁপা, বমিভাব বন্ধ করায় বেশ কার্যকরী। শরীরের দুর্বলতা রোধ এবং প্রস্রাব পরিষ্কারক হিসেবে এর ভূমিকা রয়েছে।

আমলকি : অন্যান্য ফলের তুলনায় আমলকিতে সবচেয়ে বেশি ভিটামিন-সি বিদ্যমান। ওষুধি ফল হিসেবেই আমলকি পরিচিত। প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্য উপযোগী আমলকিতে ১৯ কিলো ক্যালরি খাদ্যশক্তি, ৩.৫০ গ্রাম শর্করা, ০.৯০ গ্রাম আমিষ, ৩.৪০ গ্রাম আঁশ, ৩৪ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ৪৬৩ মিলিগ্রাম ভিটামিন-সি, ১.২০ মিলিগ্রাম লৌহ বিদ্যমান। ডায়রিয়া, পেটের পীড়া, কাঁশি, হাঁপানি, বহুমূত্র, অজীর্ণ, জ্বর জ্বর ভাব, যকৃতের রোগ নিরাময়ে আমলকি বিশেষ উপকারী।

আমড়া : টক ফলের মধ্যে আমড়া অন্যতম। প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্য উপযোগী আমড়াতে ৬৬ কিলো ক্যালরি খাদ্যশক্তি, ১৫ গ্রাম শর্করা, ১.১০ গ্রাম আমিষ, ৫৫ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ৯২ মিলিগ্রাম ভিটামিন- সি, ৩.৯০ মিলিগ্রাম লৌহ ও ৮০০ মাইক্রোগ্রাম ক্যারোটিন ও ৮৩.২০ গ্রাম জলীয় অংশ রয়েছে। আমড়া পিত্ত ও কফ নিবারক, আমনাশক ও কণ্ঠস্বর পরিষ্কারক। এ ছাড়া রুচিবর্ধক হিসেবে আমড়া যথেষ্ট উপকারী।

আতা : আতা বাংলাদেশের গ্রামীণ জনপদের অতি পরিচিত ফল। প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্য উপযোগী আতা ফলে ৯০ কিলো ক্যালরি খাদ্যশক্তি, ২০.৬০ গ্রাম শর্করা, ৩৮ মিলিগ্রাম ভিটামিন-সি, ১.৫০ মিলিগ্রাম লৌহ ও ৭৬.৭০ গ্রাম জলীয় অংশ বিদ্যমান। আতা বলকারক, বাত ও পিত্তনাশক, বমননাশক, রক্ত ও মাংস বৃদ্ধিকারক।

তেঁতুল : ভেষজ গুণাবলিতে ভরপুর তেঁতুল। তেঁতুলের পুষ্টিগুন ভালোমানের। প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্য উপযোগী পাকা তেঁতুলে ২৮৩ কিলো ক্যালরি খাদ্যশক্তি, ৬৬.৪০ গ্রাম শর্করা, ৩.১০ গ্রাম আমিষ, ১৭০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম ও ৩ মিলিগ্রাম ভিটামিন-সি রয়েছে। রক্তের কোলেস্টেরল কমানো ও মেদভূঁড়ি কমাতে তেঁতুল বেশ উপকারী। তেঁতুলে বিদ্যমান টারটারিক এসিড খাদ্য হজমে সহায়ক। পেটের অম্স্নগ্যাস, পা জ্বালা উপশমে তেঁতুলের শরবত বেশ উপকারী। রাতে ঘুমানোর আগে তেঁতুলের শরবত খেয়ে ঘুমালে ঘুম ভালো হয়।

সফেদা : গ্রীষ্মকালীয় দেশগুলোতে এ ফলটি ভীষণ জনপ্রিয়। বিভিন্ন অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান, ভিটামিন এ, সি ও ই এবং ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, কপার ও আয়রনসহ অপরিহার্য বহু পুষ্টি উপাদান রয়েছে ফলটিতে।

শরিফা : ক্যারোটিন, ভিটামিন ‘সি’ ও ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ সুস্বাদু ফল।

চালতা : চালতায় ক্যালসিয়াম ও শর্করা বিদ্যমান।

ডুমুর : ক্যারোটিন, ক্যালসিয়াম ও ক্যালরি রয়েছে প্রচুর।

করমচা : প্রচুর পরিমাণে পটাশ, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, লৌহ ও ভিটামিন ‘সি’ বিদ্যমান।

লটকন : লটকন একটি ভিটামিন বি২ সমৃদ্ধ ফল।

কদবেল : প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম এবং স্বল্প পরিমাণে আয়রন বিদ্যমান।

গাব : প্রচুর ক্যালসিয়াম রয়েছে।

ডালিম : ক্যালসিয়াম ও আয়রন সমৃদ্ধ পুষ্টিকর খাবার।

অড়বরই : ভিটামিন ‘সি’ ও ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ ফল।

আঁশফল : এটি একটি আমিষ ও চিনি সমৃদ্ধ সুস্বাদু ফল।

জলপাই : ভিটামিন ‘সি’, ক্যালসিয়াম, লৌহ বিদ্যমান।

পানিফল : পুষ্টিকর ও সুস্বাদু ফল।

তুঁতফল : এ ফলে সব ধরনের পুষ্টিগুণ বিদ্যমান, তবে সবচেয়ে বেশি আছে ক্যালসিয়াম ও ক্যারোটিন।

প্রতিটি মৌসুমি ফলেই রয়েছে আলাদা আলাদা পুষ্টিগুণ। তাই চেষ্টা করুন শিশুর খাদ্য তালিকায় মৌসুমি ফল রাখার। এতে সে বেড়ে উঠবে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হয়ে।

Leave a Reply